- ১। চাঃ গ্রীন টি বা সবুজ চা স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী হিসেবে প্রমানিত। * রোগ নিরামক ও ক্যান্সার প্রতিরোধী সবুজ চা অতিরিক্ত চর্বি গলিয়ে যকৃতের উপর চাপ কমাতে সাহায্য করে। * তবে এর সঙ্গে চিনি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে । চিনি যকৃতের জন্য ক্ষতিকর।
- ২। ভিটামিন সি যুক্ত ফলঃ ভিটামিন সি যকৃত পরিষ্কার রকাহতে সাহায্য করে। * বাতাবি লেবু, মাল্টা, আঙ্গুর, কমলা লেবু ইত্যাদি ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে যা খুবই উপকারি। * টাটকা এ ফলগুলো রস করে খাওয়া যেতে পারে। * তবে অবশ্যই কিছুদিন রেখে দেওয়া বা ফ্রীজে রাখা ফল খাওয়া অনুচিত। এতে প্রচুর সুক্রোজ থাকে এবং পুষ্টিগুণ নস্ট হয়।
- ৩। বীট পালংঃ অনেকেরই পছন্দের খাদ্যতালিকায় বীট পালং নেই, তবে পুষ্টিগুণ বিচারে তা অনেক এগিয়ে। * রোগপ্রতিরোধ করে ও যকৃত সুরক্ষায় সাহায্য করে। * রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের পরিমান বৃদ্ধি করে। * প্রচুর ভিটামিন সি ও তন্তু সমৃদ্ধ খাবার। * রস করে অথবা সবজী হিসেবে খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়।
- ৪। গাজরঃ গাজর রঙ্গিন সবজির মধ্যে সবথেকে উপকারি বিশেষ করে যকৃতের জন্য। * এক কাপ পানির সঙ্গে গাজরের রস ও পালংশাকের রস মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে । * প্রচুর ভিটামিন এ থাকে যা যকৃতকে রোগ মুক্ত রাখে। * ফ্ল্যাভোনয়েড ও বেটা ক্যারোটিন থাকে যা ক্ষতিকর উপাদান ধংস করে।
- ৫। কাঁচা হলুদঃ মশলা ও রঞ্জক ছাড়াও ঔষধি উপাদান হিসেবে বহু বছর ধরে কাঁচা হলুদ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। * ১ কাপ উষ্ণ পানির মধ্যে মধু ও কাঁচা হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। * যকৃতের ক্ষয় পূরণ ও কোষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দারুণ কার্যকরী। * ক্ষতিকারক উপাদান ধ্বংস করে এবং যকৃতের রোধ প্রতিরোধী এনজাইম বা রঞ্জক উৎপাদন ত্বরান্বিত করে। * এটি পিত্তথলি ও অন্যান্য রক্ত পরিষ্কারক অঙ্গাণুর কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ফলে যকৃতের উপর চাপ কমে।
- ৬। রসুনঃ রসুন বহু রোগ প্রতিরোধি গুন সম্পন্ন একটি উপাদান। * প্রচুর পরিমাণে সালাফার থাকে এর মধ্যে যা উপকারি এনজাইম উৎপাদন বৃদ্ধি করে। * এতে অধিক পরিমাণে সোলেনিয়াম থাকে যা ক্ষুদ্র জৈবানু হিসেবে ক্ষতিকর উপাদান ধ্বংস করে।
- ৭। তন্তু সমৃদ্ধ খাবার গ্রহনঃ প্রতিদিনের খাবার তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল থাকা আবশ্যক। বিশেষ করে ফুল কপি, বাঁধা কপি, ডাঁটা শাক , কলা প্রভৃতি অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের খাবার পরিপাকতন্ত্রে সাহায্য করে এবং ক্ষতিকর উপাদান বের করে দেয়।
- ৮। জলপাই তেলঃ চর্বি থাকা সত্বেও জলপাই তেল স্বাস্থ্যের জন্য ভালো তার উপকারী চর্বির জন্য। শরীরের রক্তসংবহন তন্ত্র সুস্থ্য ও সহজ রাখতে দারুণ কার্যকরী। এটির মধ্যে যকৃতের চর্বি দূরকারী উপাদান রয়েছে। দৈনিক প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। পানির সঙ্গে দেহের অতিরিক্ত চর্বি ও ক্ষতিকর উপাদান বের হয়ে যায় ফলে যকৃতের কাজের পরিমান কমে যায়। ভীষন দরকারি এ অঙ্গাণু সতেজ রাখা আমাদের সুস্থ্য থাকার জন্য খুবই প্রয়োজন।
![]() |
রয়াল বাংলা ডেস্ক |
লিভার বা যকৃতের যত্ন কেন ও কিভাবে নিবেন |
যকৃতের যত্ন |
- royalbangla.com এ আপনার লেখা বা মতামত বা পরামর্শ পাঠাতে পারেন এই এ্যড্রেসে [email protected]
পরবর্তী পোস্ট |
গর্ভাবস্থায় ভুলে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি (পিল) খেলে কী কোন সমস্যা হতে পারে? |